সৌদি পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছাড়বে না’ বাক্য বাদ
- অনলাইন ডেস্ক
- প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৪ এএম
-
সংগৃহীত
সৌদি আরবের স্কুলের পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’ বাক্যটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ পরিবর্তনের পর সৌদি আরবের পাঠ্যক্রম নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছে ইসরায়েলভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-সে।
জুলাইয়ের শেষ দিকে সৌদি আরবের পাঠ্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় এ তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি।
ইমপ্যাক্ট-সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই বাক্যটি জেরুজালেমে মুসলিম নিয়ন্ত্রণ বা মুসলিমদের উপস্থিতি হুমকির মুখে রয়েছে এমন ধারণা তৈরি করত। পাশাপাশি এটিকে জেরুজালেমকে মুসলিম ও অন্যান্য গোষ্ঠী, বিশেষ করে ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের একটি ক্ষেত্র হিসেবে উপস্থাপনের ইঙ্গিত হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংস্থাটি যেসব বিষয়কে ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, সেসবের সব উদাহরণই সৌদি পাঠ্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোরআন ও হাদিসের কিছু অংশ পাঠ্যবই থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টিকেও ‘ইতিবাচক উন্নয়ন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইমপ্যাক্ট-সে।
সংস্থাটির দাবি, সৌদি পাঠ্যবইয়ের ২০২৫ সালের সংস্করণে একটি পরিচিত হাদিসও বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এক অসুস্থ ইহুদি বালককে দেখতে গিয়েছিলেন এবং পরে ওই বালক ইসলাম গ্রহণ করেছিল।
ইমপ্যাক্ট-সে বলেছে, এই উদাহরণ বাদ দেওয়াকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা যেতে পারে। তাদের মতে, এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাসের কারণে অভিশাপ বা শাস্তির ধারণা শেখানোর সুযোগ কমেছে।
এ ছাড়া অবিশ্বাস ও পাপ নিয়ে আলোচনা করা কোরআনের কয়েকটি আয়াত সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিকেও স্বাগত জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে একই প্রতিবেদনে সৌদি শিক্ষাব্যবস্থার কিছু বিষয়ের সমালোচনাও করা হয়েছে। ইমপ্যাক্ট-সের দাবি, দেশটির স্কুলগুলোতে এখনও মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে যে ইসলামই মানবজাতির স্বাভাবিক ধর্ম।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলাউদ্দিন আরিফ
ঠিকানা: প্রিতম-জামান টাওয়ার, ৩য় তলা, স্যুট নং: ৪০১/এ, ৩৭/২ বীর প্রতীক গাজী দস্তগীর রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
স্বত্ব © সিসিএনবিজি মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন